কম্পোনেন্ট ও সাব-কম্পোনেন্ট
EARN প্রকল্পের চারটি মূল কম্পোনেন্ট ও নয়টি সাব-কম্পোনেন্টের বিস্তারিত বিবরণ
প্রকল্পের মূল কাঠামো
EARN প্রকল্পের কম্পোনেন্ট চারটি। কম্পোনেন্টগুলোতে বিকল্প শিক্ষা ও বাজার-উপযোগী দক্ষতা বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি, প্রশিক্ষণোত্তর কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা তৈরি নিশ্চিত করা, সামাজিক বাধা দূর করে যুবদের জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা জোরদার করার কথা বলা হয়েছে।
কম্পোনেন্ট ০১
বিকল্প শিক্ষা ও কর্মমুখী দক্ষতা উন্নয়ন
কম্পোনেন্ট ০২
বেতনভিত্তিক কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা সহায়তা প্রদান
কম্পোনেন্ট ০৩
NEET যুবদের উন্নয়ন ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ সৃষ্টি
কম্পোনেন্ট ০৪
প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ও প্রকল্প ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন
বিকল্প শিক্ষা ও কর্মমুখী দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগে অংশগ্রহণে প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি
কম্পোনেন্ট ০১
৫,০০০
প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (VLTC)
৫,০০,০০০
প্রশিক্ষণার্থী
৭,০০,০০০
আচরণগত প্রশিক্ষণ (৫,০০,০০০ সহ)
২৫,০০০
অনলাইন প্রশিক্ষণ
গ্রাম পর্যায়ে যুবদের জন্য ৫,০০০ অস্থায়ী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বা ভিএলটিসি (VLTC) স্থাপন করা হবে।
এই গ্রামীণ অস্থায়ী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোর মাধ্যমে পাঁচ লাখ যুবকে দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
উপরোক্ত পাঁচ লাখসহ মোট সাত লাখ প্রশিক্ষণার্থীকে আচরণগত ও ব্যবসায়িক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
২৫ হাজার যুবকে অনলাইনের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ প্রদান এবং সরাসরি অফলাইন মূল্যায়নের কাজ সম্পন্ন করা হবে।
পিছিয়ে পড়া ও অনগ্রসর গোষ্ঠীর ২৫ হাজার যুবক ও যুব নারীর উদ্ভাবনী প্রকল্পে বিশেষ তহবিল থেকে আর্থিক সহায়তা মিলবে।
মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষা কার্যক্রম সম্পূর্ণ করতে না পারা এমন ঝড়ে পরা ১ লক্ষ ছাত্র-ছাত্রীদের স্টাইপেন্ড প্রদান করা হবে যাতে তারা পুনরায় বিদ্যমান শিক্ষা কার্যক্রমে প্রবেশ পূর্বক শিক্ষাকার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারে এবং পরবর্তীতে প্রশিক্ষণ গ্রহণ ও দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রমে নিজেদের যুক্ত হতে পারে।
কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা সহায়তার মাধ্যমে যুবদের অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তি
কম্পোনেন্ট ০২
২,০০,০০০
কর্মসংস্থান সৃষ্টি
৫০,০০০
উদ্যোক্তা সহায়তা
১,০০০
কর্মসংস্থান মেলা
৫০০
ব্যবসায়িক পরামর্শ কেন্দ্র
EARN সুবিধাভোগীদের দ্রুত কর্মসংস্থানে প্রবেশের জন্য প্রতি বছর প্রতিটি উপজেলায় চাকরি মেলার আয়োজন করা হবে।
এক লক্ষ প্রশিক্ষণার্থীর জন্য ছয় মাস মেয়াদী ইন্টার্নশিপ বা শিক্ষানবিশ হিসেবে প্রশিক্ষণের সুযোগ প্রদান করা হবে।
মোট প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে শতকরা ৬০ ভাগ নারী অংশগ্রহণকারী এই বিশেষ ইন্টার্নশিপের সুবিধা নিশ্চিতভাবে পাবেন।
১৫ হাজার সুবিধাভোগী প্রতিযোগিতামূলক ইনকিউবেশন মেন্টরিং এবং ডিওয়াইডি তহবিলের মাধ্যমে সিড ফাইন্যান্সিং সুবিধা লাভ করবেন।
NEET যুবদের উন্নয়ন ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ সৃষ্টি
কম্পোনেন্ট ০৩
৬০%
নারী উপকারভোগী
৫০০
সচেতনতা ক্যাম্পেইন
২০০
শিশু যত্ন কেন্দ্র
৩০,০০০
প্রতিবন্ধী যুব সহায়তা
প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে মোট আড়াই হাজার কমিউনিটি গ্রুপ প্রতিষ্ঠা করে সদস্যদের প্রাথমিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
কমিউনিটি গ্রুপের সদস্যদের দক্ষতা আরও বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতি বছর নিয়মতান্ত্রিকভাবে পুনঃ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।
রেডিও, টিভি, সংবাদপত্র এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ডিজিটাল প্রচারের মাধ্যমে যুবক ও যুব নারীদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করা হবে।
তরুণদের উৎসাহ দিতে বিভিন্ন কলেজ, মাদ্রাসা ও যুব ক্লাবের জন্য প্রয়োজনীয় খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক সরঞ্জাম সরবরাহ করা হবে।
নারী প্রশিক্ষণার্থীদের সন্তানদের জন্য ২০টি ভিএলটিসিতে আধুনিক ও নিরাপদ শিশু-দিবা যত্ন কেন্দ্রের সুবিধা প্রদান করা হবে।
প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ও প্রকল্প ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন
কম্পোনেন্ট ০৪
৫০
প্রশিক্ষিত কর্মকর্তা
১০
মন্ত্রণালয় সমন্বয়
১
EMIS সিস্টেম
১০০%
পর্যবেক্ষণ কভারেজ
MoYS, DYD, NSC, BKSP এবং NIYD কর্মকর্তাদের পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
আধুনিক ডিজিটাল প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে সব দপ্তরে উন্নত মানের আইটি সরঞ্জাম সরবরাহ করা হবে।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীনে জেলা যুব কেন্দ্র এবং অন্যান্য সংস্থাকে বিশেষ অনুদান প্রদান করা হবে।
DYD-র অধীনস্থ দপ্তরগুলোর অবকাঠামো শক্তিশালী করার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী যুব উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে।
আন্তর্জাতিক ও জাতীয় চাকরির বাজারের চাহিদা মূল্যায়ন বিভিন্ন প্রয়োজনীয় জরিপ ও ইমপ্যাক্ট ইভ্যালুয়েশন স্টাডি করা হবে।