EARN প্রকল্পের লক্ষ্য
যুব উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক রূপান্তর
গ্রামীণ NEET যুবদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নেয়া। এর মধ্য দিয়ে ২০৩০ সালের মধ্যে ৯ লক্ষ দক্ষ শ্রমশক্তি তৈরির মাধ্যমে দেশের টেকসই অর্থনৈতিক রূপান্তর ত্বরান্বিত করা।
সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্যতা
বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে যুবদের কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে সম্পৃক্তকরণের বিষয়টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। সেই অগ্রাধিকার বাস্তবায়নের একটি অন্যতম প্রধান উদ্যোগ হলো EARN প্রকল্প।
দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান
প্রকল্পটি দীর্ঘমেয়াদী ফলাফলের ওপর গুরুত্ব দেয়, যার মধ্যে রয়েছে:
গ্রামীণ NEET যুবকদের চিহ্নিত করে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা।
বাজার-চাহিদাভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যুবদের কর্মক্ষমতা বাড়ানো।
নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য সিড ফাইন্যান্সিং ও ঋণের সুযোগ সৃষ্টি।
ইন্টার্নশিপের মাধ্যমে যুবদের জন্য বাস্তব কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা।
নারীর অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তি
EARN প্রকল্প নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং সামাজিক বাধা দূর করতে অগ্রাধিকার দেয়:
যুব নারীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা ।
সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে কর্মক্ষেত্রে নারীদের এগিয়ে নেওয়া।
কমিউনিটি সম্পৃক্ততার মাধ্যমে গ্রামীণ নারীদের সামাজিক মর্যাদা বাড়ানো।
আচরণ পরিবর্তনমূলক কার্যক্রম নারীদের অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তি ত্বরান্বিত করা।
টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন
দক্ষ মানবসম্পদ গঠনের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতি আরও শক্তিশালী করা।
দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে যুবদের সক্রিয় অংশগ্রহণ বাড়ানো ।
অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখা।
জাতীয় লক্ষ্য ও রূপান্তর
জাতীয় লক্ষ্য ও রূপান্তর
২০৩০ সালের মধ্যে ৯ লক্ষ দক্ষ শ্রমশক্তি গড়ে তোলা ।
NEET যুবদের সংখ্যা হ্রাস করে জাতীয় লক্ষ্য অর্জনে ভূমিকা রাখা।
এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক রূপান্তর ত্বরান্বিত করা।
দক্ষ জনশক্তি গড়ার মাধ্যমে দেশকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে সাহায্য করা।