EARN প্রকল্পের উদ্দেশ্য
EARN প্রকল্পের জন্য নির্বাচিত উপজেলার যোগ্য NEET জনগোষ্ঠীর, বিশেষ করে গ্রামীণ নারীদের জন্য নিরাপদ প্রশিক্ষণ অবকাঠামো ও পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং দ্বিতীয়বার শিক্ষা গ্রহণ, দক্ষতা উন্নয়ন ও মূলধনী সহায়তার মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে।
দক্ষতা বৃদ্ধি ও আত্মকর্মসংস্থানের উদ্যোগ
দেশের মোট যুবসমাজের প্রায় ২৭ শতাংশ NEET, যাদের প্রায় ৯০ শতাংশই নারী। অর্থাৎ এই জনগোষ্ঠীর সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৮২ লাখ, যাদের মধ্যে প্রায় ২৯ লাখ পুরুষ এবং ১ কোটি ৫৩ লাখ নারী (সুত্র: বিবিএস জনশুমারি ২০২২)। এই বিপুল জনগোষ্ঠী থেকে একটি বড় অংশের দক্ষতা বৃদ্ধি ও আত্মকর্মসংস্থানের উদ্যোগ নিয়েছে EARN প্রকল্প।
উদ্দেশ্যগুলো বাস্তবায়ন হবে যেভাবে
উদ্দেশ্যগুলো বাস্তবায়ন হবে চারটি ধাপে - NEET চিহ্নিতকরণ ও নারীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতকরণ দ্বিতীয়বার শিক্ষার সুযোগ ও পুনঃঅন্তর্ভূক্তি, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও মূলধনী সহায়তা এবং প্রতিবন্ধকতা হ্রাস ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি।
NEET চিহ্নিতকরণ ও নারীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতকরণ
- নির্বাচিত উপজেলার যোগ্য NEET জনগোষ্ঠী সঠিকভাবে চিহ্নিত করা।
- নারীদের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সহায়তা দেওয়া।
- প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে নারীবান্ধব ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা।
- প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে আধুনিক শিশুযত্ন সুবিধা প্রদান করা।
দ্বিতীয়বার শিক্ষার সুযোগ ও পুনঃঅন্তর্ভুক্তি
- গ্রামীণ NEET জনগোষ্ঠীর জন্য শিক্ষার সুযোগ তৈরি করা।
- ঝরে পড়া জনগোষ্ঠী বিশেষত নারীদের দ্বিতীয়বার শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ।
- প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থায় গ্রামীণ তরুণদের পুনঃঅন্তর্ভুক্তি সহজতর করা।
- শিক্ষার আলো ছড়াতে বিশেষ উপবৃত্তি ও সহায়তা দেওয়া হবে।
দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও মূলধনী সহায়তা
- EDT ও SEB প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
- প্রশিক্ষিত যুবদের জন্য উপযুক্ত শ্রমবাজারের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করা।
- নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে যুবদের আত্মনির্ভরশীলতা বৃদ্ধি করা।
- সম্ভাবনাময় নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য প্রয়োজনীয় মূলধনী সহায়তা প্রদান করা।
প্রতিবন্ধকতা হ্রাস ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি
- সামাজিক প্রতিবন্ধকতা হ্রাস করে যুব নারীদের অগ্রযাত্রা নিশ্চিত করা।
- আর্থ-সামাজিক কর্মকাণ্ডে NEET জনগোষ্ঠীর কার্যকর অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা।
- নারীদের কাজের জন্য সমাজে একটি সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি করা।
- সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।