এক্সেসিবিলিটি

WCAG 2.2 AA

টেক্সট সমন্বয় (শীঘ্রই আসছে)

অক্ষরের আকার
অক্ষর ব্যবধান
লাইনের উচ্চতা

দৃশ্যমান সমন্বয়

ইনভার্ট
মনোক্রোম
লিঙ্ক হাইলাইট
বড় কার্সার

সাম্প্রতিক অনুসন্ধান

যোগাযোগ

EARN প্রকল্প জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ভবন লেভেল-১৯, ৬২/৩, পুরানা পল্টন ঢাকা-১০০০

খোঁজা হচ্ছে...

কোনো ফলাফল পাওয়া যায়নি

সার্ভিস প্রোভাইডার নিয়োগের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত

সার্ভিস প্রোভাইডার নিয়োগের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত

বর্তমান সময়ে আমাদের নীতি-নৈতিকতা ও সামাজিক মূল্যবোধে ব্যাপক ঘাটতি সৃষ্টি হয়েছে। আমাদের ছেলেমেয়েদের কথাবার্তা ও আচরণে অনেক বেশি উগ্রতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। এ অবস্থা থেকে উত্তোরণে EARN প্রকল্পের জন্য গৃহীত প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে নৈতিকতাসংক্রান্ত একটি সেশন অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক।

বিশ্বব্যাংকের ঋণ সহায়তায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন 'Economic Acceleration and Resilience for NEET (EARN) (১ম সংশোধিত)' শীর্ষক প্রকল্পের সার্ভিস প্রোভাইডার নিয়োগের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ আহ্বান জানান তিনি। ১৬ জুলাই ২০২৬ বৃহস্পতিবার বেলা-১১:৩০ মিনিটে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে (কক্ষ নং: ৫০২, ভবন নং: ০৭, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা) এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দ্বায়িত্ব) জনাব আমেনা বেগম।

প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক বলেন, এখন নৈতিকতা শিক্ষাদানের বিষয়টি সেই অর্থে নেই বললেই চলে। তাই রুটিন ওয়ার্কের পাশাপাশি দেশের যুবক ও যুব নারীদের নৈতিকতা গঠনে ভূমিকা রাখতে পারলে তবেই এই প্রকল্প পরিপূর্ণ সার্থক হবে।

বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে যুবক ও যুব নারীদের কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্তকরণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা, চাকরি বা প্রশিক্ষণে নেই- ১৫ থেকে ৩৫ বছর বয়সী এমন নয় লাখ যুবকে (যাদের মধ্যে ৬০ শতাংশই যুব নারী) প্রশিক্ষিণ দিয়ে স্বাবলম্বী করে তোলার লক্ষ্যে গৃহীত EARN প্রকল্প সেই অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে একটি অন্যতম প্রধান উদ্যোগ। শিক্ষা, চাকরি বা প্রশিক্ষণে না থাকা এই জনগোষ্ঠীকে বলা হচ্ছে NEET (Not in Education, Employment or Training) । প্রকল্পটি বাংলাদেশের সৃজনশীল শিল্প ও ক্রীড়া শিল্পের সক্ষমতা বৃদ্ধিতেও সহায়তা করবে, যা দেশের যুবসমাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খাত হিসেবে বিবেচিত।

প্রকল্প সূত্র জানিয়েছে, EARN প্রকল্পটি বিশ্বব্যাংকের ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ সহায়তায় পরিচালিত একটি উন্নয়ন প্রকল্প, যার লক্ষ্য বিশেষত গ্রামীণ অঞ্চলের যুবদের, অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা। উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশে এই ধরণের নিষ্ক্রিয় যুব জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বৈশ্বিক গড় হারের প্রায় দ্বিগুণ এবং এই হার উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এই নিষ্ক্রিয় যুব সমাজ একটি বিরাট চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত। ক্রমবর্ধমান নিষ্ক্রিয় যুব সমাজকে কর্মমুখী করা ও এদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত প্রথম ও একমাত্র প্রকল্প হলো EARN।

Chukti Photo-Collage2x2 copy.jpg

বিশ্বব্যাংকের ক্রয় নির্দেশিকা অনুযায়ী, বাংলাদেশের ৮ বিভাগের প্রকল্প এলাকাকে ১০টি প্যাকেজে বিভক্ত করে উন্মুক্ত প্রতিযোগিতামূলক (Quality and Cost Based Selection-QCBS) দরপত্র প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্রয় কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। মোট ৪০১টি প্রতিষ্ঠান (Single Entity and Joint Venture) Expression of Interest (EoI) দাখিল করেছিল। যার মধ্যে ৭৮টি প্রতিষ্ঠানকে  সংক্ষিপ্ত তালিকাভুক্ত হয়। সংক্ষিপ্ত তালিকাভুক্তদের মধ্যে ৬৯টি প্রতিষ্ঠান প্রস্তাব (RFP) দাখিল করে। দাখিলকৃত প্রস্তাবসমূহ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করে বিশ্বব্যাংকের অনুমোদন গ্রহণ করে প্রতিটি প্যাকেজের কারিগরি ও আর্থিক প্রস্তাবের চুড়ান্ত মুল্যায়ন করা হয় এবং সর্বাধিক সমন্বিত নম্বরপ্রাপ্ত এনজিও’র সাথে সমঝোতাপূর্বক খসড়া চুক্তি করা হয়।  ক্রয় প্রস্তাবগুলোর প্রতিটি ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাংকের অনাপত্তি গ্রহণ করা হয়েছে। 

প্রস্তাব মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশকৃত এবং বিশ্বব্যাংকের অনাপত্তিপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান হলো ব্র্যাক , সেভ দ্যি চিলড্রেন, কেয়ার বাংলাদেশ এবং ঢাকা আহছানিয়া মিশন। ব্র্যাক কাজ করবে ঢাকা ও রংপুর বিভাগে। সেভ দ্য চিলড্রেন বরিশাল এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলায়, কেয়ার বাংলাদেশ তিন পার্বত্য জেলা এবং খুলনা, ময়মনসিংহ ও রাজশাহী বিভাগে এবং ঢাকা আহছানিয়া মিশন কুমিল্লা, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর ও চাঁদপুর জেলা এবং সিলেট বিভাগে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠান তাদের জয়েন্ট ভেঞ্চারদের নিয়ে ২০২৮ সালের মধ্যে ৬৪ জেলার ২৫০ উপজেলার গ্রাম পর্যায়ে পাঁচ হাজার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করবে। সেসব কেন্দ্রের মাধ্যমে ৯ লাখ যুবক ও যুব নারীকে বর্তমান সময়ের চাহিদাভিত্তিক বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে স্বাবলম্বী হয়ে ওঠার পথ দেখাবে, যা দেশের অর্থনৈতিক রূপান্তর ও স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তোরণের প্রক্রিয়াকে কার্যকরভাবে সহায়তা করবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জনাব মোঃ মোতাহার হোসেন, প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক কাজী মোখলেছুর রহমান, বিশ্ব ব্যাংকের সিনিয়র ইকোনমিস্ট ও টাস্ক টিম লিডার সৈয়দ রাশেদ আল-জায়েদ জশ, অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক (যুগ্মসচিব) ড. মেরিনা নাজনীনসহ মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও প্রকল্পের কর্মকর্তা ও কনসালটেন্টবৃন্দ।

সার্ভিস প্রোভাইডারদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সেভ দ্য চিলড্রেনের কান্ট্রি ডিরেক্টর সুমন সেনগুপ্ত, ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর এ. এস. এম. রহমত উল্লাহ ভূঁইয়া ও অন্তর্বর্তীকালীন সেক্টর ডিরেক্টর মিস নিশাত আফরোজ মির্জা। কেয়ার বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর রাম দাস, হেড অব পিপল অ্যান্ড কালচার কাজী রিজওয়ানা রহমান, সিনিয়র ডিরেক্টর-ফাইন্যান্স সাজিয়া তারিন, হেড অব গভর্ণমেন্ট রিলেশনস ডিপার্টমেন্ট ফজলুল হক ও সিনিয়র কোঅর্ডিনেটর শাহরিয়ার আলম, ঢাকা আহছানিয়া মিশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. এস এম খলিলুর রহমান, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর (প্রোগ্রাম) কে এম জাহিদুজ্জামান ও টিম লিডার মোসাম্মৎ কনক লতা এবং ব্র্যাক এডুকেশনের ডিরেক্টর সাফি রহমান খান, হেড অব প্রোগ্রামস ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) গোলাম ফারুক ও টিম লিডার কাজী জাহাঙ্গীর আলম।

এর আগে ২৪ জুন মন্ত্রীপরিষদের সভাকক্ষে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে EARN প্রকল্পের ১০টি প্যাকেজের সব ক’টির ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দেয় সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রীসভা কমিটি।

আরও পড়ুন

অগ্রাধিকারমূলক দক্ষতা চিহ্নিতকরণ ও অনলাইন প্রশিক্ষণের কনটেন্ট ডেভেলপমেন্ট নিয়ে কর্মশালা

অগ্রাধিকারমূলক দক্ষতা চিহ্নিতকরণ ও অনলাইন প্রশিক্ষণের কনটেন্ট ডেভেলপমেন্ট নিয়ে কর্মশালা

Economic Acceleration and Resilience for NEET (EARN) প্রকল্পের আওতায় Identifying Priority Skills and Online Training Content Development (OTSP) শীর্ষক এক কর্মশালা ১৫ জুলাই ২০২৬ তারিখে প্রকল্পের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওয়ার্কশপের মূল উদ্দেশ্য ছিল, EARN প্রকল্পের মোট ৯ লাখ সুবিধাভোগীর মধ্যে ২৫,০০০ NEET যুবক ও যুব নারীকে অনলাইন প্রশিক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত দক্ষতা (কারিগরি, ডিজিটাল সাক্ষরতা, সফট স্কিল ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন) এবং কনটেন্টের ক্যাটাগরিগুলো চিহ্নিত ও যাচাই করা।

১৬ জুলাই, ২০২৬
বিস্তারিত দেখুন
তথ্যপ্রযুক্তি ও রিয়েল-টাইম মনিটরিংয়ে নতুন যুগের যুব প্রশাসন

তথ্যপ্রযুক্তি ও রিয়েল-টাইম মনিটরিংয়ে নতুন যুগের যুব প্রশাসন

সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং দ্রুত সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে সম্পূর্ণ ডিজিটাল ও আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে ঢেলে সাজানো হচ্ছে যুব প্রশাসনকে।

৬ জুলাই, ২০২৬
বিস্তারিত দেখুন
যুবকদের জন্য ১৫ হাজার নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করবে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ‘সিড ফান্ড’

যুবকদের জন্য ১৫ হাজার নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করবে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ‘সিড ফান্ড’

কারিগরি প্রশিক্ষণ পাওয়ার পরও অনেক গ্রামীণ তরুণ শুধুমাত্র পুঁজি এবং সঠিক নির্দেশনার অভাবে ব্যবসা শুরু করতে পারেন না । গ্রামীণ তরুণদের এই আর্থিক ও কৌশলগত সংকট দূর করতে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর (DYD) তার বিদ্যমান ‘সীড ফান্ড’ বা প্রারম্ভিক তহবিলকে আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণের এক বিশাল উদ্যোগ নিয়েছে । ‘আর্ন’ প্রকল্পের মাধ্যমে এই তহবিলকে সম্পূর্ণ ডিজিটাল ও যুগোপযোগী করে গড়ে তোলা হচ্ছে ।

৬ জুলাই, ২০২৬
বিস্তারিত দেখুন
EARN প্রকল্পে অগ্রাধিকার পাচ্ছেন নারীরা, দূর হবে গ্রামীণ সামাজিক প্রতিবন্ধকতা

EARN প্রকল্পে অগ্রাধিকার পাচ্ছেন নারীরা, দূর হবে গ্রামীণ সামাজিক প্রতিবন্ধকতা

বাংলাদেশে কর্মসংস্থান ও শিক্ষার বাইরে থাকা ‘নিট’ যুবকদের সমস্যাটি মূলত একটি জেন্ডার বা লিঙ্গভিত্তিক সমস্যা । কারণ এই ১২.৬ মিলিয়ন যুবক ও যুব নারীর মধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশই নারী । বিশ্বব্যাংকের এক গবেষণায় দেখা গেছে, গ্রামীণ এলাকায় কঠোর সামাজিক নিয়ম, নিরাপদ যাতায়াত ব্যবস্থার অভাব এবং ঘরের কাজের অতিরিক্ত দায়িত্ব নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার পথে বড় বাধা।

৬ জুলাই, ২০২৬
বিস্তারিত দেখুন
বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তি: ১২.৬ মিলিয়ন ‘নিট’ যুবকের জন্য আসছে বিশাল কর্মসংস্থান প্রকল্প

বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তি: ১২.৬ মিলিয়ন ‘নিট’ যুবকের জন্য আসছে বিশাল কর্মসংস্থান প্রকল্প

বাংলাদেশের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক অগ্রগতি নিশ্চিত করতে এবং কর্মসংস্থান ও শিক্ষার বাইরে থাকা তরুণদের মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনতে সরকার চালু করেছে এক মেগা প্রকল্প ।

৬ জুলাই, ২০২৬
বিস্তারিত দেখুন
যোগাযোগ কৌশলপত্র প্রণয়নে কর্মশালা

যোগাযোগ কৌশলপত্র প্রণয়নে কর্মশালা

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ‘ইকোনোমিক অ্যাকসিলারেশন অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ফর নিট (ইএআরএন-আর্ন)’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ‘স্টেকহোল্ডার কনসালটেশন ওয়ার্কশপ’ শিরোনামে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১ জুলাই, ২০২৬
বিস্তারিত দেখুন